ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালউদ্দিন টুকুর ওপর সোমবার সশস্ত্র হামলাকারীরা ছাত্রলীগ কর্মী। বিভিন্ন টেলিভিশনের ভিডিও ফুটেজ ও পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি দেখে ক্যাম্পাসে তাদের পরিচয় ছিল সবার মুখে মুখে। তাদের অনেককে গতকালও ছাত্রলীগের মিছিল-সমাবেশে দেখা গেছে।
বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল প্রচারিত ও পত্রিকায় প্রকাশিত স্থিরচিত্রে দেখা গেছে, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ছাত্রলীগ ক্যাডার বাপ্পী (দর্শন, চতুর্থবর্ষ) প্রথমে ছাত্রদল সভাপতিকে বিশেষ ধরনের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। বাপ্পী মুহসীন হলের ১১১ নম্বর কক্ষে থাকে। তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। তার বাবা বেলায়েত হোসেন থানা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক। চ্যানেল আই’র খবরে প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, লাল জ্যাকেট পরা বাপ্পী ছাত্রলীগের একটি জঙ্গি মিছিল থেকে বিশেষ ধরনের একটি লাঠি ঘোরাতে ঘোরাতে ছুটে গিয়ে কলাভবনের পেছনের বারান্দায় প্রক্টর ও পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রদল সভাপতি টুকুর মাথায় প্রথম আঘাত করে। এতে তিনি ঢলে পড়েন। বাপ্পীকে পরেও ছাত্রলীগের মিছিলে দেখা গেছে।
আমার দেশ ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় লিড ছবিতে দেখা গেছে, পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে খুব কাছ থেকে রেঞ্চ দিয়ে এক যুবক ছাত্রদল সভাপতির মাথায় আঘাত করার পর রক্তাক্ত রেঞ্চ দিয়ে দ্বিতীয় দফা আঘাতের সময় কেউ একজন বাধা দিচ্ছে। রেঞ্চ দিয়ে আঘাতকারী যুবকটি হচ্ছে বরকত। সংগীত দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্র বরকত জহুরুল হক হলের ছাত্রলীগ কর্মী। সে হলের ২৩ নম্বর কক্ষে থাকে। তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানায়। যুগান্তরের ছবিতে দেখা যায় বরকতের পাশেই আরেক যুবক চাপাতি হাতে ছাত্রদল সভাপতির মাথায় আঘাত করছে। সে এফ রহমান হলের ছাত্রলীগ ক্যাডার ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি টিপুর সমর্থক সাকিব। সাকিব লোকপ্রশাসন বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র। হলের ২১০ নম্বর কক্ষে থাকে। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলায়।
এছাড়াও বিভিন্ন ছবিতে ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী ছাত্রদল সভাপতির ওপর হামলা করতে দেখো গেছে কবি জসীমউদ্দীন হলের ছাত্রলীগ ক্যাডার মেহেদী (তৃতীয়বর্ষ), একই হলের বাশার (ইতিহাস বিভাগ), জহুরুল হক হলের আতিক, মুহসীন হলের রাহাত (দ্বিতীয়বর্ষ) ও সাকেরকে (বিশ্বধর্মতত্ত্ব, দ্বিতীয়বর্ষ)। সাকের মুহসীন হলের ৪০২ নম্বর কক্ষে থাকে। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়ায়। ঘটনার পেছনে নেতৃত্বে ছিলেন মুহসীন হলের ছাত্রলীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সূর্যসেন হলের সভাপতি সাঈদ মজুমদার, জহুরুল হক হলের সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবীর রাহাত।
ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের গোলাগুলি ও সশস্ত্র মহড়া : গত সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টুকু-আলিমের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ভিসি অফিসের দিকে যেতে চাইলে মলচত্বরে পদবঞ্চিতদের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়। এ সময় পদবঞ্চিতরা ক্যাম্পাসে কয়েক রাউন্ড গুলি ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। ছাত্রদলের বাধার মুখে টিকতে না পেরে বিদ্রোহী খোকন ও শিপনসহ সমর্থকরা পিছু হটে। বিদ্রোহীরা ধাওয়া খেয়ে পিছু হটে ছাত্রলীগের আশ্রয়ে মুহসীন হল মাঠে জড়ো হয়। কবি জসীম হল, সূর্যসেন হল, মুহসীন হল, জহুরুল হক হল, এফ রহমান হলের ছাত্রলীগ কর্মীরাও এসে ছাত্রদলের পদবঞ্চিতদের সঙ্গে যোগ দেয়। পরে ছাত্রলীগের সূর্যসেন ও কবি জসীমউদদীন হলের জুনিয়র কর্মীরা অত্যাধুনিক নাইন এমএম পিস্তল, লাঠি, রড, চাপাতি, রামদা, হকিস্টিক, কিরিচসহ মহড়া দেয়। বেশ কিছু গুলি ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। টিভি ফুটেজ ও স্টিল ক্যামেরার ছবিতে দেখা গেছে, নাইন এমএম পিস্তল হাতে বহিরাগত ছাত্রলীগ ক্যাডার পরশ, রামদা হাতে সূর্যসেন হলের মাস্টার্সের ছাত্র কামরুল, চাপাতি হাতে সূর্যসেন হলের সুমন (আইইআর, গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ), রামদা হাতে জহুরুল হক হলের এক ছাত্রলীগ কর্মী ক্যাম্পাসে মহড়া দিচ্ছে।
আসুন জানি বাংলাদেশের সংবাদ পত্র কেমন ?
বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা আছে এক একটা এক এক কিসিমের। এখানে সংবাদিকদের স্বাধীনতা অনেক সবাই নিজের ইচ্ছামত সংবাদ পরিবেশন করে পাঠক কে নানা ভাবে ব্রিভান্ত করতে পারেন। কালের পরিক্রমায় বেশ কয়েকটি নতুন প্রত্রিকা আসছে কিন্তুু তাও চলছে বড় রাজনৈতিক নেতার মদদে। আবার কোন প্রত্রিকা শুধু খবরই বদলায় না পুরা জাতিকে বদলাতে চান। এদের স্লোগান হচ্ছে বদলে দিন বদলে যান। একটা উদাহরন দেই তাহলে বুঝতে পারবেন।
বাংলাদেশে সব পত্রিকাই এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য নিউজ ছাপে। যেমন এটা দেখুন-
ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮
ইত্তেফাকঃ জরীপ বন্ধ করে জাহাজ ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান, ভারতের অস্বীকৃতি
ইনকিলাবঃ কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ সরিয়ে নেয়া হবে না – পিনাক
আমার দেশঃ সার্ভে শেষ না করে আমরা ফিরে যাবো না – পিনাক
মানবজমিনঃ জরীপ শেষ করেই নৌজাহাজ এলাকা ছাড়বে – ভারতীয় হাইকমিশনার
নয়া দিগন্তঃ জরীপ শেষ না করে জাহাজ সরাবে না ভারত
bdnews24 ঃ জাহাজ সরাবে না ভারত,আোচনার তাগিদ
আমাদের সময়ঃ (ভারতের সার্ভে জাহাজ রয়েছে)
ভোরের কাগজঃ (নিশ্চুপ)
সমকালঃ (নিশ্চুপ)
প্রথম আলোঃ বাংলাদেশের জলসীমা থেকে সরে গেছে ভারতের জরীপ জাহাজ
পৃথিবীর ৪০০ কোটি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর যে কারও ফোনালাপে এখন আড়ি পাতা যাবে! মোবাইল ফোনে কথা বলার গোপনীয়তা রক্ষার্থে যে এনক্রিপশন বা গোপন সংকেত ব্যবহার করা হয়, সম্প্রতি তার বিস্তারিত উন্মোচন করেছেন বলে ঘোষণা দেন একজন জার্মান কম্পিউটার বিজ্ঞানী। গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস (জিএসএম) প্রযুক্তিতে মোবাইল ফোনের তথ্য আদান-প্রদানের গোপনীয়তা রক্ষায় এ৫/১ নামের এনক্রিপশন কোড পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় বিশ্বব্যাপী। এই সংকেত ভাঙতে পাঁচ মাস ধরে একদল গবেষক নিয়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানী কারস্টেন নল। বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি হলো জিএসএম। বিজ্ঞানী নলের কথা যদি ঠিক হয়, তাহলে অপরাধীসহ যে কেউ ইচ্ছে করলে জিএসএম প্রযুক্তির যেকোনো মোবাইল ফোনে অন্যের ফোনালাপে আড়ি পাততে পারবে। নল বার্লিনে এক সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা দেখিয়েছি যে জিএসএমের নিরাপত্তাব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। আমরা সবাইকে এই আশু বিপদ সম্পর্কে জানাতে চেষ্টা করছি। আমরা আশা করছি, গ্রাহকদের কাছ থেকে আরও ভালো কোনো এনক্রিপশনের জন্য জোরালো দাবি ও চাপ আসবে।
এ৫/১ সংকেত ভাঙার ব্যাপারে নিরাপত্তাব্যবস্থাটির প্রবর্তক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা জিএসএম অ্যাসোসিয়েশনের একজন মুখপাত্র জানান, ‘কোড ভাঙার বিষয়টি মারাত্মক অপরাধের শামিল। ব্যাপারটি আমরা হালকাভাবে নেব না।’ এর জবাবে কারস্টেন নল বিবিসিকে জানান, প্রতিবেদনটি প্রকাশের আগে তিনি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে নিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বিষয়টি যথেষ্ট বৈধ। গেম খেলার একটি কম্পিউটার আর তিন হাজার ডলার খরচ করলে যেকোনো ফোনে আড়ি পাতা সম্ভব এখন।’ এ৫/১ কোডটি ২২ বছর আগে প্রবর্তন করা হয়েছিল। এই সংকেতটি মূলত মোবাইল ফোন ও বেইজ স্টেশনগুলোর বেতার কম্পাঙ্ক (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি) ৮০টির বেশি চ্যানেলের মধ্যে বারবার পরিবর্তন করার মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা দেওয়ার কাজ করে। ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো সংকেতটির ব্যাপারে নিরাপত্তা দুর্বলতার অভিযোগ ওঠে। তবে মোবাইল এনক্রিপশনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নলের এই ‘ক্র্যাক’ করার বিষয়টি মানতে নারাজ। তাদের মতে, এই সংকেত ভাঙা হয়তো সম্ভব, তবে এ জন্য শত কোটি টাকার সরঞ্জাম লাগবে। আর এমন আয়োজন কোনো সরকার বা বিরাট বড় সংগঠিত অপরাধ বাহিনীর দ্বারা সম্ভব হতে পারে। নিরাপত্তা ভাঙার এই বিষয়টি ‘অবাস্তব’ বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।
খুন করার পর, তোমাকে ঘিরে বসে থাকলাম।
তুমি মাংস এখন, কেবল শিকার করা তুলতুলে মাংস;
আমরা ক্ষুধার্ত খুব;
ভৌতিকরাত্রির কান্না সঙ্গী করে
এখনি ডুবে যাবো তাস ও ভোদকায়
এক বিয়ে বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বাবা/মা সহ সকলে নব কনেকে বিদায় দিচ্ছে- আর নব বর ছাড়া সবাই কান্নাকাটি করছে। পাশেই প্রতিবেশী ছোট্ট একটি ছেলে তার বাবাকে
ছোট্ট ছেলেঃ আচ্ছা বাবা ঐ মেয়ের বাবা মা কাঁদে কেন?
বাবাঃ তার মেয়েকে এত বড় করেছে, লেখা পড়া শিখয়ে মানুষ করেছে এখন বিদায় দিচ্ছে পরের ঘরে- তাই তার মায়ায় কান্নাকাটি করছে।
ছোট্ট ছেলেঃ তা মেয়েটা কাঁদে কেন?
বাবাঃ মা/বাবাকে ছেড়ে পরের ঘরে চলে যাচ্ছে- তাই সেই মায়ায় কান্নাকাটি করছে।
ছোট্ট ছেলেঃ তাহলে বরটা কাদঁছেনা কেন?
বাবাঃ এখন সবাই কাঁদছে- আরও কাঁদবে সারা জীবন- সবে মাত্র বিয়ে করেছে- বউটা নিয়ে ঘরে উঠুক, তার পর থেকে কাঁদবে বিস্তারিত
ফ্রেবরুয়ারী ১৯৯২ সালের কথা লিয়া ম্যাকর্ন্ড যূনিয়ার স্কুল শেষ করে। লিয়ার এবার কলেজ যাওয়ার পালা কিন্তুু কলেজ গিয়ে দেখল ভর্তি হতে ৮০০০ ডলার টিউশন ফি প্রয়োজন। এতো টাকা তার কাছে তো নেই এমনকি তার ফ্যামিলীর কারো কাছে নেই। লিয়া হাতে সময় কম তাই সে কাজ খুজতে বের হল কিন্তুু হাতে সময় খুবই কম আর মাত্র এক মাস পরে তাকে কলেজে ৮০০০ ডলার পে করতে হবে। অনেক খোজা খুজির পরও কোন উপাই খুজে পেল না। লিয়া তার বন্ধু ক্যান্ডিকে ব্যাপারটা বলতে সে তাকে জানালো আমি একটা ট্রিপ এ ১০,০০০ ডলার বানাতে যাচ্ছি। বিস্তারিত
১৯৩৪ সালের দিকে বিশ্বের বেশির ভাগ অঞ্চলেই চলছিল বড় ধরনের অর্থনৈতিক মন্দা। বেকারত্ব তখন জেঁকে বসেছিল মহামারির মতো। অনেক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায় টিকে থাকার জন্য মরিয়া হয়ে তখন লড়তে হয়েছিল। এই অর্থনৈতিক সমস্যায় পড়েনি এমনি একটি শিল্প ছিল রেডিও শিল্প। এই অর্থনৈতিক মন্দার সময়েও যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচার কোম্পানিগুলো প্রতিবছর শত শত কোটি ডলার আয় করে। তাদের এই সাফল্যের পেছনে অবদান ছিল এডউইন আর্মস্ট্রং নামের এক মেধাবী জনের আবিষ্কার। বিস্তারিত
সবগুলো টেলিভিশনে এখন যতগুলো ডিটারজেন্ট পাওডার এর এড দেওয়া হয় তা
আদেও কি সত্য ? আপনারা পেলেও আমি পাইনি।
আবার ধরুন হরলিঙ্ খেলে বাচ্চারা বড় হয় সেটা এখন প্রমানিত এটা কি আগে প্রমান ছাড়া
বিগ্পাপন দেয়েছিলেন ?
একটা রিয়েল ইষ্টেট কোম্পানীর ফ্লাট অথবা জমি বুকিং দিলে তার মালিকানা পাওয়া যায় না
চাদের দেশের যাওয়ার মত কিন্তুু তারা যে কি ব্যাতিক্রম ? আমার জানা মতে এই্ কোপ্পানী
এখনও মাটি ভরাট করতে পারি নাই। কাজেই আপনার বিস্তারিত
একশ বছর পর পৃথিবীর মানুষ বলবে বাংলাদেশ একটি দেশ ছিল যা ১৯৭১ সালে জন্ম আর ২০৭১ সালে শেষ হয়ে গেছে। এই দেশের মানুষ ভাষার জন্য প্রান দিয়েছিল। অথচ সেই দেশই আজ সমুদ্রের নিচে। আমাদের অনেকের কাছে এটা বিশ্বাস হয় না বাংলাদেশ তলিয়ে যাবে। অথচ এই নির্মম সত্য একদিন আমাদেরকে মেনে নিতে হবে কোন না কোন ভাবে। আমার কথা যেন সত্যি না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করার সময় পার হয়ে গেলেও বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন কিন্তু শুরু হয়ে গেছে। বিস্তারিত