বাংলাদেশ বিক্রি হবার না, শেখ হাসিনা কিংবা বেগম খালেদা জিয়া কেউ এই কাজটি করতে পারবেন না …
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিলি্ল গেলেন। কিছু চুক্তি ভারতের সঙ্গে আমাদের হয়েছে। রাজনীতির একটা ধারা গলা ফাটিয়ে চিৎকার শুরু করলেন, বাংলাদেশ শেখ হাসিনা বিক্রি করে দিয়ে এসেছেন। লাভ-ক্ষতি কী হয়েছে আমি জানি না। আমি একটা জিনিসই জানি, বাংলাদেশ বিক্রি হবার না। শেখ হাসিনা কিংবা বেগম খালেদা জিয়া কেউ এই কাজটি করতে পারবেন না। ভারত জুজুর ভয় দেখানোর পুরানো খেলা কেন আমরা এখনো খেলছি?আমি মনে করি ভারতকে ট্রানজিট দেওয়া দোষের কিছু না কিন্তুু তা ব্যাহারের ন্যায্য মুল্য যেন তাদের থেকে নেওয়া হয়। সেই সাখে চায়না, নেপাল ও আমিরিকা চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রানজিট নিতে আগ্রহি তারা যে মুল্যে ট্রানজিট নিবে ভারতের থেকে সমপরিমান যেন নেওয়া হয়। আমরা ইচ্ছা করলে শুধু সমুদ্র বন্দর ব্যাবহার করে আমাদের অর্থনীতি বদলে দিতে পারি সিংঙাপুরের মত। আমি ভারতের কাছ থেকে বেশি কিছু আসা করিনা আমি ব্যাক্তগত ভাবে টাটা টেলিকমিনিউনিকেশন এর সাথে ব্যাবসা করি তাদের ব্যাবহার আমার কোন দিনই মন পুত না। আমাদেরর মত ছোট্ট দেশরর ব্যাবসায়ীদের তারা জি¤িম করে তাদের অর্থনীতির চাকা এগিয়ে নিচ্ছে। আমার নিজের কথা বলি আমি যখন তাদের থেকে কিনছি আমাকে আগে টিটি পাঠিয়ে কিনতে হয় আর তারা যখন আমার থেকে কিনছে অতি কম মূল্যে এবং পোষ্ট পেইড পেমেন্ট। আমার জানা মতে সব ব্যাবসায়ীর একই অবস্থা। ক্ষমতাধর যে রাষ্ট্রটি আমাদের পাশে, তার সাহায্য আমাদের ক্ষমতাবান হবার জন্য প্রয়োজন। তারা আমাদের নৌবন্দর ব্যবহার করবে, করুক। বন্ধুত্বের হাত আমাদের অবশ্যই বাড়াতে হবে। সারাক্ষণ ‘ভারত সব নিয়ে নিল’ বলে চিৎকার-চেঁচামেচির কিছু নেই। আমরা বার্মার মতো রুদ্ধ রাষ্ট্র হতে চাই না।১৯৭১ সাল, প্রিয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু হলো আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ। ভারত আমাদের পাশে এসে দাঁড়াল। তখনো সমস্যা_ভারত কি আর মানবিক কারণে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে? ভারতের মতলব ভালো হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভারত চাচ্ছে পাকিস্তান ভেঙে টুকরা টুকরা করতে। যেই মুহূর্তে তারা সফল হবে, পূর্ব পাকিস্তান চলে যাবে তাদের দখলে। ভারত ভেঙেছে, পাকিস্থান ভেঙেছে, আমাদের কেবল ভাঙনের সংস্কৃতি, কোন দিন না জানি বাংলাদেশও ভেঙে যায়,,,,,,, রাজনীতির নামে যে ব্যাবসা এইদেশের রাজনীতিবিদরা করে থাকেন এরই প্রতিফলন এইসব








