দি বিডি নিউজ

বিডি নিউজ

বাংলার চিরচেনা দেশে
Subscribe

Archive for January, 2010

জাগো সিনামা দেখে আসলাম বসুন্ধারায় সিনেপেক্সে .. অসাধারন …

January 23, 2010 By: Shamim Category: আনন্দ খবর No Comments →

Jaago

আজাকে জাগো সিনামা দেখতে গিয়েছিলাম বসুন্ধারায়। গিয়ে দেখি টিকিট নাই। টিকিট কাউন্টার থেকে মাইকে বলছে আজকের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে কাল এর জন্য বুকিং দিতে চাইলে কাউন্টারে যোগাযোগ করুন। আমি সিনামা দেখতে গিছি অন্তত ৭ বছর পর তাই ভাবলাম টিকিট আমার চাই। একটুবুদ্ধি করে অন্য ভাবে টিকিট কাউন্টার থেকে ম্যানেজ করলাম টিকিট। সিনামা শুরু হতে বাকি ১ ঘন্টা তাই ভাবলাম খাওয়া দাওয়ার পর্বটা শেষ করে নেই এই সময়ে। সিনেমা কাহিনী কিছু কাজ আমার আগে থেকে দেখা ছিল কিন্তুু হলে গিয়ে ফিল্ম দেখার মজাই আলাদা। যথা রীতি সিনেমা শুরু হল প্রথম শুরু থেকে সবাই খুবই মজা করে দেখেছে, যেহেতু ফুটবল খেলা নিয়ে কাহিনী তাই সবাই সিনামা এমনভাবে উপোভোগ করছিল যেন তারা ষ্টেডিয়ামে খেলা দেখতে এসেছে বাংলাদেশ ভারত খেলা। দারুর করতালির মাধ্যমে সবাই উপোভোগ করছে। আর প্রতিটি গান ছিল অসাধারন সেই সাথে অরজিনাল ওয়েদার বৃষ্টি ক্যামরা বন্দি করাটা আমার খুব ভাল লেগেছে। শুধু মাত্র প্রথম ম্যাচ এর খেলাতে গ্যালারীতে দরশক কম ছাড়া প্রতি কাজ খুবই ভাল লেগেছে। হায়াত ভাই এর মুচটা দেখে আমার অনেক হাসি পেয়েছে। আমার মনে হয় হলে গিয়ে সিনামা না দেখলে আপনি সিনামার মজা বুঝতে পারবেন না। তাই আর দেরি না করে চলে চান পাশের কোন সিনামা হলে।

বিয়ে টিকিয়ে রাখার রীতি-নীতি

January 22, 2010 By: Shamim Category: সমসময় No Comments →

মহিলা : অন্য পুরুষের সাথে মাখামাখি, নিকট সান্নিধ্য পুরুষেরা পছন্দ করে না। স্বামীর সম্মুখে অন্য পুরুষের সাথে অতি হাসিখুশী, উদাম দেহে বা অতি উৎসাহী, বেহায়াপনা সন্দেহের জন্ম দেয়।

পুরুষ :- কোন মহিলা স্বামীর ভাগ কাউকে দিতে চান না। পর নারীর সাথে হাসি মুখে কথা বলা, সুন্দরীদের সাথে মেলামেশা, গোপন কথাবার্তা, এমনকি প্রয়োজনীয় আদান-প্রদানও স্ত্রীর সম্মুখে করুন, যাতে কোন রকম সন্দেহের অবকাশ না থাকে। মনে রাখবেন, আপনার স্ত্রীই আপনার চোখে শ্রেষ্ঠ সুন্দরী ও সর্বোত্তম মহিলা।

মহিলা :- আপনি এমন আচরণ করুন যাতে স্বামী চিনত্মা করেন, তিনি আপনার জীবনে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যক্তি। আপনি যখন একা ছিলেন সিদ্ধান্তগুলো একাই নিতেন। এখন আপনার জীবনে স্বামী বিরাজমান। স্বামীর সাথে ছোটখাট যে কোন বিষয়ে আলাপ করুন।

পুরুষ :- আপনি সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন এমন কথা নাই। স্ত্রী ভাল সিদ্ধান্ত বা পরামর্শ দিতে সক্ষম। এই বিবেচনায় দু’জনে আলাপ করে সিদ্ধান্তগুলো নিন। স্ত্রীকে আপনার মত করে তৈরি করুন।

মহিলা :- মহিলারা স্বামীর দোষত্রুটি খুঁজতে ব্যস্ত থাকতে নেই। একজন মহিলা ১৮০ ডিগ্রী এঙ্গেলে দেখতে সক্ষম। স্বামীর প্রতিটি বিষয় খুঁটিয়ে দেখতে অভ্যস্ত। স্বামীর কোটের গায়ে লাগানো লম্বা চুল এক মুহূর্তে আবিষ্কারে সক্ষম। মহিলারা নিজেদের সাম্রাজ্য নিরাপদ রাখতে চান। একই ফ্রিকোয়েন্সীতে মহিলা ও তার শাশুড়ীর চিন্তায় সংঘর্ষ হলে দুর্ভোগ নেমে আসে। মহিলারা অনেকে চিন্তায় সক্ষম হলেও সব চিন্তার সত্যতা নাও থাকতে পারে। নিজের বাড়তি চিনত্মাকে প্রশমিত করুন। স্বামীকে বুঝতে দিবেন না।

পুরুষ :- স্বামী, পুত্র, সংসার এই মহিলার দরকার। স্ত্রীরা সংসারে সুখ চান, এটা বিবেচনায় এনে নিজেকে সংযত করতে হবে।

মহিলা : কখনো কখনো মহিলারা স্বামীর দেওয়া উপহার, অলংকার ছুঁড়ে মারেন। কখনো এটা করতে নেই। স্বামীরা পাষাণ, অবিবেচক এটা কখনো ভাবতে নেই। স্বামী যে গহনাটি বেশি পছন্দ করেন ওটাকে বদলানো বা পরিবর্তন না করাই মঙ্গল।

পুরুষ : মহিলাদের অলংকারই দ্বিতীয় ঈশ্বর। কি কারণে ছুঁড়ে মারছেন, মানসিক কোন পরিবর্তন আসছে কিনা বা আপনাকে ত্যাগ করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এসেছে কিনা বিচার করুন।

মহিলা :- স্বামীর কোন সাজানো গল্প যা আপনি আগে শুনেছেন, এমন গল্প বলতে থাকলে মন দিয়ে শুনুন। কখনো মুখের উপর বলবেন না এটা মিথ্যা বা বানোয়াট, আপনি আগে বহুবার শুনেছেন। সবার সম্মুখে স্বামীর মুখ নিচু হয় এমন কথা বলতে নেই। স্বামী আপনার, তার সম্মান হানিতে আপনার সম্মান কখনো বৃদ্ধি পাওয়ার নয়। চূড়ান্ত পরিত্যাগের আগে স্বামীই আপনার সুখ, দুঃখের সাথী।

পুরুষ :- নতুন করে আকর্ষণীয় গল্প ছাড়ণ্ডন। স্ত্রীর মন বিষিয়ে তুললেও আপনার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ কমে। স্ত্রী সম্মুখে সাধারণের সাথে দুর্ব্যবহার করতে নেই। এতে স্ত্রী আপনাকে চূড়ান্ত ওজন করতে সক্ষম হন। স্ত্রীর কাছে সবসময় রহস্যপুরুষ হিসেবে আবির্ভূত হোন। মনের সব প্যাচ গোজ খোলাসা করবেন না। তুরুপের কার্ড সংরক্ষিত রাখুন।

মহিলা :- স্বামীর এমন দোষ আছে যা আপনিসহ কেউ পছন্দ করেন না। এটা নিয়ে কথা কাটাকাটি না করে ধীরে ধীরে কোন্ পদ্ধতিতে শুধরানো যায় একটা ছক তৈরি করে এগুতে থাকুন। একদিন দেখবেন আপনার হাতের পরশে স্বামী সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।

পুরুষ :- আপনি প্রকাশ না করলে আপনার দোষগুলো স্ত্রী টের পান। দোষগুলো ও আচরণে সংশোধনী আনয়ন আপনার কাজ।

মহিলা:- কখনো স্বামীর মুখের উপর ডিভোর্সের কথা উচ্চারণ করবেন না। চলে যাব, আত্মহত্যা করব এসব শব্দ দীর্ঘমেয়াদী আঘাত আনে। চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত ছাড়া এ শব্দগুলি সম্পূর্ণ অনৈতিক।

পুরুষ :- স্ত্রীকে কখনো ডিভোর্স, ত্যাগ করা, চলে যাওয়ার কথা বলবেন না। ত্যাগ করার জন্য আপনি বিয়ে করেন নাই। স্ত্রীর গায়ে হাত উঠানো মধ্যযুগীয় মানসিকতা ও অসভ্য আচরণ। সংসার দু’জনের। দু’জনই সংসারে সমান। স্ত্রীকে সম্মান করতে ব্যর্থ হলে সমাজে নিজের সম্মানই ক্ষুণ্ন হয়। মনে রাখবেন, সকল মহিলার কেমিস্ট্রি ও বায়োলজি এক ও অভিন্ন। অন্যের স্ত্রীর সাথে নিজের স্ত্রীকে তুলনা করবেন না। আপনারটাই সর্বশ্রেষ্ঠ

উপরের তথ্য গুলোর দায-দ্বায়িত্ব আমি বহন করবো না কারন তথ্য সংগ্রহ

বাংলাদেশ বিক্রি হবার না, শেখ হাসিনা কিংবা বেগম খালেদা জিয়া কেউ এই কাজটি করতে পারবেন না …

January 21, 2010 By: Shamim Category: সমসময় No Comments →

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিলি্ল গেলেন। কিছু চুক্তি ভারতের সঙ্গে আমাদের হয়েছে। রাজনীতির একটা ধারা গলা ফাটিয়ে চিৎকার শুরু করলেন, বাংলাদেশ শেখ হাসিনা বিক্রি করে দিয়ে এসেছেন। লাভ-ক্ষতি কী হয়েছে আমি জানি না। আমি একটা জিনিসই জানি, বাংলাদেশ বিক্রি হবার না। শেখ হাসিনা কিংবা বেগম খালেদা জিয়া কেউ এই কাজটি করতে পারবেন না। ভারত জুজুর ভয় দেখানোর পুরানো খেলা কেন আমরা এখনো খেলছি?আমি মনে করি ভারতকে ট্রানজিট দেওয়া দোষের কিছু না কিন্তুু তা ব্যাহারের ন্যায্য মুল্য যেন তাদের থেকে নেওয়া হয়। সেই সাখে চায়না, নেপাল ও আমিরিকা চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রানজিট নিতে আগ্রহি তারা যে মুল্যে ট্রানজিট নিবে ভারতের থেকে সমপরিমান যেন নেওয়া হয়। আমরা ইচ্ছা করলে শুধু সমুদ্র বন্দর ব্যাবহার করে আমাদের অর্থনীতি বদলে দিতে পারি সিংঙাপুরের মত। আমি ভারতের কাছ থেকে বেশি কিছু আসা করিনা আমি ব্যাক্তগত ভাবে টাটা টেলিকমিনিউনিকেশন এর সাথে ব্যাবসা করি তাদের ব্যাবহার আমার কোন দিনই মন পুত না। আমাদেরর মত ছোট্ট দেশরর ব্যাবসায়ীদের তারা জি¤িম করে তাদের অর্থনীতির চাকা এগিয়ে নিচ্ছে। আমার নিজের কথা বলি আমি যখন তাদের থেকে কিনছি আমাকে আগে টিটি পাঠিয়ে কিনতে হয় আর তারা যখন আমার থেকে কিনছে অতি কম মূল্যে এবং পোষ্ট পেইড পেমেন্ট। আমার জানা মতে সব ব্যাবসায়ীর একই অবস্থা। ক্ষমতাধর যে রাষ্ট্রটি আমাদের পাশে, তার সাহায্য আমাদের ক্ষমতাবান হবার জন্য প্রয়োজন। তারা আমাদের নৌবন্দর ব্যবহার করবে, করুক। বন্ধুত্বের হাত আমাদের অবশ্যই বাড়াতে হবে। সারাক্ষণ ‘ভারত সব নিয়ে নিল’ বলে চিৎকার-চেঁচামেচির কিছু নেই। আমরা বার্মার মতো রুদ্ধ রাষ্ট্র হতে চাই না।১৯৭১ সাল, প্রিয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু হলো আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ। ভারত আমাদের পাশে এসে দাঁড়াল। তখনো সমস্যা_ভারত কি আর মানবিক কারণে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে? ভারতের মতলব ভালো হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভারত চাচ্ছে পাকিস্তান ভেঙে টুকরা টুকরা করতে। যেই মুহূর্তে তারা সফল হবে, পূর্ব পাকিস্তান চলে যাবে তাদের দখলে। ভারত ভেঙেছে, পাকিস্থান ভেঙেছে, আমাদের কেবল ভাঙনের সংস্কৃতি, কোন দিন না জানি বাংলাদেশও ভেঙে যায়,,,,,,, রাজনীতির নামে যে ব্যাবসা এইদেশের রাজনীতিবিদরা করে থাকেন এরই প্রতিফলন এইসব

হোয়াট অ্যান আইডিয়া স্যারজি

January 21, 2010 By: Shamim Category: বিজ্ঞান No Comments →

আইডিয়া এখন নতুন স্লোগান নিয়ে বাজারে এসেছে। নতুন এই স্লোগানটি হলো- ‘ইউজ মোবাইল, সেভ পেপার।’ টিভিতে মোবাইল ব্যবহার করে গাছ বাঁচানোর এই অভিনব বিজ্ঞাপন দেখে বলতে হয়, ‘হোয়াট অ্যান আইডিয়া স্যারজি!’ বলতে হয়, এভাবে তো ভেবে দেখিনি। বিজ্ঞাপন বিষয়ে একটু খোঁজখবর নিতে আইডিয়ার ওয়েবসাইটে গেলাম। ওয়েবসাইটের ওয়েলকাম পেজ বা শুরুর পাতাতেই ওরা লিখে রেখেছেন, ১০ লাখ না ছাপা কাগজের পাতা ৮৫টি গাছ বাঁচাতে পারে। সবারই জানা, মূলত গাছ থেকেই কাগজ তৈরি হয়। আমরা ইচ্ছা করলে কাগজের ব্যাবহার দিন দিন কমিয়ে আনতে পারি। আমার নিজের কথাই বলি আমি গত ২-৩ বছর কোন বই কিনি নাই বেশির ভাগই অনলাইন থেকে নামিয়ে অথবা বিভিন্ন সোর্স থেকে কম্পিউটারে নোট করার কাজটা শেরে ফেলছি। আর যদি লেখার কোন ইচ্ছা যাগে তাহলে ব্লগে লিখে ফেলি। যেহেতু নোট বুক/ কম্পিউটার আমরা ব্যাবহার করি এটাকে আরো বেশী কাজে লাগিয়ে কাগজ এর ব্যাবহার কমানো উচিৎ। এতে করে পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব কিছু হলেও কমতে পারে।

এদেশের প্রতিটি মিডিয়া কি গাজা খায় ? নিচের ভিডিও টি দেখুন তাহলে বঝতে পারবেন কেন বলছি !!!

January 21, 2010 By: Shamim Category: রাজনীতি No Comments →

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালউদ্দিন টুকুর ওপর সোমবার সশস্ত্র হামলাকারীরা ছাত্রলীগ কর্মী। বিভিন্ন টেলিভিশনের ভিডিও ফুটেজ ও পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি দেখে ক্যাম্পাসে তাদের পরিচয় ছিল সবার মুখে মুখে। তাদের অনেককে গতকালও ছাত্রলীগের মিছিল-সমাবেশে দেখা গেছে।

বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল প্রচারিত ও পত্রিকায় প্রকাশিত স্থিরচিত্রে দেখা গেছে, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ছাত্রলীগ ক্যাডার বাপ্পী (দর্শন, চতুর্থবর্ষ) প্রথমে ছাত্রদল সভাপতিকে বিশেষ ধরনের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। বাপ্পী মুহসীন হলের ১১১ নম্বর কক্ষে থাকে। তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। তার বাবা বেলায়েত হোসেন থানা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক। চ্যানেল আই’র খবরে প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, লাল জ্যাকেট পরা বাপ্পী ছাত্রলীগের একটি জঙ্গি মিছিল থেকে বিশেষ ধরনের একটি লাঠি ঘোরাতে ঘোরাতে ছুটে গিয়ে কলাভবনের পেছনের বারান্দায় প্রক্টর ও পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রদল সভাপতি টুকুর মাথায় প্রথম আঘাত করে। এতে তিনি ঢলে পড়েন। বাপ্পীকে পরেও ছাত্রলীগের মিছিলে দেখা গেছে।
আমার দেশ ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় লিড ছবিতে দেখা গেছে, পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে খুব কাছ থেকে রেঞ্চ দিয়ে এক যুবক ছাত্রদল সভাপতির মাথায় আঘাত করার পর রক্তাক্ত রেঞ্চ দিয়ে দ্বিতীয় দফা আঘাতের সময় কেউ একজন বাধা দিচ্ছে। রেঞ্চ দিয়ে আঘাতকারী যুবকটি হচ্ছে বরকত। সংগীত দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্র বরকত জহুরুল হক হলের ছাত্রলীগ কর্মী। সে হলের ২৩ নম্বর কক্ষে থাকে। তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানায়। যুগান্তরের ছবিতে দেখা যায় বরকতের পাশেই আরেক যুবক চাপাতি হাতে ছাত্রদল সভাপতির মাথায় আঘাত করছে। সে এফ রহমান হলের ছাত্রলীগ ক্যাডার ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি টিপুর সমর্থক সাকিব। সাকিব লোকপ্রশাসন বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র। হলের ২১০ নম্বর কক্ষে থাকে। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলায়।
এছাড়াও বিভিন্ন ছবিতে ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী ছাত্রদল সভাপতির ওপর হামলা করতে দেখো গেছে কবি জসীমউদ্দীন হলের ছাত্রলীগ ক্যাডার মেহেদী (তৃতীয়বর্ষ), একই হলের বাশার (ইতিহাস বিভাগ), জহুরুল হক হলের আতিক, মুহসীন হলের রাহাত (দ্বিতীয়বর্ষ) ও সাকেরকে (বিশ্বধর্মতত্ত্ব, দ্বিতীয়বর্ষ)। সাকের মুহসীন হলের ৪০২ নম্বর কক্ষে থাকে। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়ায়। ঘটনার পেছনে নেতৃত্বে ছিলেন মুহসীন হলের ছাত্রলীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সূর্যসেন হলের সভাপতি সাঈদ মজুমদার, জহুরুল হক হলের সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবীর রাহাত।
ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের গোলাগুলি ও সশস্ত্র মহড়া : গত সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টুকু-আলিমের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ভিসি অফিসের দিকে যেতে চাইলে মলচত্বরে পদবঞ্চিতদের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়। এ সময় পদবঞ্চিতরা ক্যাম্পাসে কয়েক রাউন্ড গুলি ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। ছাত্রদলের বাধার মুখে টিকতে না পেরে বিদ্রোহী খোকন ও শিপনসহ সমর্থকরা পিছু হটে। বিদ্রোহীরা ধাওয়া খেয়ে পিছু হটে ছাত্রলীগের আশ্রয়ে মুহসীন হল মাঠে জড়ো হয়। কবি জসীম হল, সূর্যসেন হল, মুহসীন হল, জহুরুল হক হল, এফ রহমান হলের ছাত্রলীগ কর্মীরাও এসে ছাত্রদলের পদবঞ্চিতদের সঙ্গে যোগ দেয়। পরে ছাত্রলীগের সূর্যসেন ও কবি জসীমউদদীন হলের জুনিয়র কর্মীরা অত্যাধুনিক নাইন এমএম পিস্তল, লাঠি, রড, চাপাতি, রামদা, হকিস্টিক, কিরিচসহ মহড়া দেয়। বেশ কিছু গুলি ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। টিভি ফুটেজ ও স্টিল ক্যামেরার ছবিতে দেখা গেছে, নাইন এমএম পিস্তল হাতে বহিরাগত ছাত্রলীগ ক্যাডার পরশ, রামদা হাতে সূর্যসেন হলের মাস্টার্সের ছাত্র কামরুল, চাপাতি হাতে সূর্যসেন হলের সুমন (আইইআর, গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ), রামদা হাতে জহুরুল হক হলের এক ছাত্রলীগ কর্মী ক্যাম্পাসে মহড়া দিচ্ছে।

আসুন জানি বাংলাদেশের সংবাদ পত্র কেমন ?

January 19, 2010 By: Shamim Category: রাজনীতি No Comments →

আসুন জানি বাংলাদেশের সংবাদ পত্র কেমন ?
বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা আছে এক একটা এক এক কিসিমের। এখানে সংবাদিকদের স্বাধীনতা অনেক সবাই নিজের ইচ্ছামত সংবাদ পরিবেশন করে পাঠক কে নানা ভাবে ব্রিভান্ত করতে পারেন। কালের পরিক্রমায় বেশ কয়েকটি নতুন প্রত্রিকা আসছে কিন্তুু তাও চলছে বড় রাজনৈতিক নেতার মদদে। আবার কোন প্রত্রিকা শুধু খবরই বদলায় না পুরা জাতিকে বদলাতে চান। এদের স্লোগান হচ্ছে বদলে দিন বদলে যান। একটা উদাহরন দেই তাহলে বুঝতে পারবেন।

বাংলাদেশে সব পত্রিকাই এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য নিউজ ছাপে। যেমন এটা দেখুন-
ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮
ইত্তেফাকঃ জরীপ বন্ধ করে জাহাজ ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান, ভারতের অস্বীকৃতি
ইনকিলাবঃ কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ সরিয়ে নেয়া হবে না – পিনাক
আমার দেশঃ সার্ভে শেষ না করে আমরা ফিরে যাবো না – পিনাক
মানবজমিনঃ জরীপ শেষ করেই নৌজাহাজ এলাকা ছাড়বে – ভারতীয় হাইকমিশনার
নয়া দিগন্তঃ জরীপ শেষ না করে জাহাজ সরাবে না ভারত
bdnews24 ঃ জাহাজ সরাবে না ভারত,আোচনার তাগিদ
আমাদের সময়ঃ (ভারতের সার্ভে জাহাজ রয়েছে)
ভোরের কাগজঃ (নিশ্চুপ)
সমকালঃ (নিশ্চুপ)
প্রথম আলোঃ বাংলাদেশের জলসীমা থেকে সরে গেছে ভারতের জরীপ জাহাজ

অভিশাপ

January 19, 2010 By: Shamim Category: কবিতা No Comments →

যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে,
অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে -
বুঝবে সেদিন বুঝবে!
ছবি আমার বুকে বেঁধে
পাগল হয়ে কেঁদে কেঁদে
ফিরবে মরু কানন গিরি,
সাগর আকাশ বাতাস চিরি’
যেদিন আমায় খুঁজবে – (more…)

তিন হাজার ডলার খরচ করলে যেকোনো ফোনে আড়ি পাতা সম্ভব এখন।

January 03, 2010 By: Shamim Category: সমসময় No Comments →

পৃথিবীর ৪০০ কোটি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর যে কারও ফোনালাপে এখন আড়ি পাতা যাবে! মোবাইল ফোনে কথা বলার গোপনীয়তা রক্ষার্থে যে এনক্রিপশন বা গোপন সংকেত ব্যবহার করা হয়, সম্প্রতি তার বিস্তারিত উন্মোচন করেছেন বলে ঘোষণা দেন একজন জার্মান কম্পিউটার বিজ্ঞানী। গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস (জিএসএম) প্রযুক্তিতে মোবাইল ফোনের তথ্য আদান-প্রদানের গোপনীয়তা রক্ষায় এ৫/১ নামের এনক্রিপশন কোড পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় বিশ্বব্যাপী। এই সংকেত ভাঙতে পাঁচ মাস ধরে একদল গবেষক নিয়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানী কারস্টেন নল। বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি হলো জিএসএম। বিজ্ঞানী নলের কথা যদি ঠিক হয়, তাহলে অপরাধীসহ যে কেউ ইচ্ছে করলে জিএসএম প্রযুক্তির যেকোনো মোবাইল ফোনে অন্যের ফোনালাপে আড়ি পাততে পারবে। নল বার্লিনে এক সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা দেখিয়েছি যে জিএসএমের নিরাপত্তাব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। আমরা সবাইকে এই আশু বিপদ সম্পর্কে জানাতে চেষ্টা করছি। আমরা আশা করছি, গ্রাহকদের কাছ থেকে আরও ভালো কোনো এনক্রিপশনের জন্য জোরালো দাবি ও চাপ আসবে।
এ৫/১ সংকেত ভাঙার ব্যাপারে নিরাপত্তাব্যবস্থাটির প্রবর্তক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা জিএসএম অ্যাসোসিয়েশনের একজন মুখপাত্র জানান, ‘কোড ভাঙার বিষয়টি মারাত্মক অপরাধের শামিল। ব্যাপারটি আমরা হালকাভাবে নেব না।’ এর জবাবে কারস্টেন নল বিবিসিকে জানান, প্রতিবেদনটি প্রকাশের আগে তিনি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে নিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বিষয়টি যথেষ্ট বৈধ। গেম খেলার একটি কম্পিউটার আর তিন হাজার ডলার খরচ করলে যেকোনো ফোনে আড়ি পাতা সম্ভব এখন।’ এ৫/১ কোডটি ২২ বছর আগে প্রবর্তন করা হয়েছিল। এই সংকেতটি মূলত মোবাইল ফোন ও বেইজ স্টেশনগুলোর বেতার কম্পাঙ্ক (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি) ৮০টির বেশি চ্যানেলের মধ্যে বারবার পরিবর্তন করার মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা দেওয়ার কাজ করে। ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো সংকেতটির ব্যাপারে নিরাপত্তা দুর্বলতার অভিযোগ ওঠে। তবে মোবাইল এনক্রিপশনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নলের এই ‘ক্র্যাক’ করার বিষয়টি মানতে নারাজ। তাদের মতে, এই সংকেত ভাঙা হয়তো সম্ভব, তবে এ জন্য শত কোটি টাকার সরঞ্জাম লাগবে। আর এমন আয়োজন কোনো সরকার বা বিরাট বড় সংগঠিত অপরাধ বাহিনীর দ্বারা সম্ভব হতে পারে। নিরাপত্তা ভাঙার এই বিষয়টি ‘অবাস্তব’ বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।