মহিলা : অন্য পুরুষের সাথে মাখামাখি, নিকট সান্নিধ্য পুরুষেরা পছন্দ করে না। স্বামীর সম্মুখে অন্য পুরুষের সাথে অতি হাসিখুশী, উদাম দেহে বা অতি উৎসাহী, বেহায়াপনা সন্দেহের জন্ম দেয়।
পুরুষ :- কোন মহিলা স্বামীর ভাগ কাউকে দিতে চান না। পর নারীর সাথে হাসি মুখে কথা বলা, সুন্দরীদের সাথে মেলামেশা, গোপন কথাবার্তা, এমনকি প্রয়োজনীয় আদান-প্রদানও স্ত্রীর সম্মুখে করুন, যাতে কোন রকম সন্দেহের অবকাশ না থাকে। মনে রাখবেন, আপনার স্ত্রীই আপনার চোখে শ্রেষ্ঠ সুন্দরী ও সর্বোত্তম মহিলা।
মহিলা :- আপনি এমন আচরণ করুন যাতে স্বামী চিনত্মা করেন, তিনি আপনার জীবনে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যক্তি। আপনি যখন একা ছিলেন সিদ্ধান্তগুলো একাই নিতেন। এখন আপনার জীবনে স্বামী বিরাজমান। স্বামীর সাথে ছোটখাট যে কোন বিষয়ে আলাপ করুন।
পুরুষ :- আপনি সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন এমন কথা নাই। স্ত্রী ভাল সিদ্ধান্ত বা পরামর্শ দিতে সক্ষম। এই বিবেচনায় দু’জনে আলাপ করে সিদ্ধান্তগুলো নিন। স্ত্রীকে আপনার মত করে তৈরি করুন।
মহিলা :- মহিলারা স্বামীর দোষত্রুটি খুঁজতে ব্যস্ত থাকতে নেই। একজন মহিলা ১৮০ ডিগ্রী এঙ্গেলে দেখতে সক্ষম। স্বামীর প্রতিটি বিষয় খুঁটিয়ে দেখতে অভ্যস্ত। স্বামীর কোটের গায়ে লাগানো লম্বা চুল এক মুহূর্তে আবিষ্কারে সক্ষম। মহিলারা নিজেদের সাম্রাজ্য নিরাপদ রাখতে চান। একই ফ্রিকোয়েন্সীতে মহিলা ও তার শাশুড়ীর চিন্তায় সংঘর্ষ হলে দুর্ভোগ নেমে আসে। মহিলারা অনেকে চিন্তায় সক্ষম হলেও সব চিন্তার সত্যতা নাও থাকতে পারে। নিজের বাড়তি চিনত্মাকে প্রশমিত করুন। স্বামীকে বুঝতে দিবেন না।
পুরুষ :- স্বামী, পুত্র, সংসার এই মহিলার দরকার। স্ত্রীরা সংসারে সুখ চান, এটা বিবেচনায় এনে নিজেকে সংযত করতে হবে।
মহিলা : কখনো কখনো মহিলারা স্বামীর দেওয়া উপহার, অলংকার ছুঁড়ে মারেন। কখনো এটা করতে নেই। স্বামীরা পাষাণ, অবিবেচক এটা কখনো ভাবতে নেই। স্বামী যে গহনাটি বেশি পছন্দ করেন ওটাকে বদলানো বা পরিবর্তন না করাই মঙ্গল।
পুরুষ : মহিলাদের অলংকারই দ্বিতীয় ঈশ্বর। কি কারণে ছুঁড়ে মারছেন, মানসিক কোন পরিবর্তন আসছে কিনা বা আপনাকে ত্যাগ করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এসেছে কিনা বিচার করুন।
মহিলা :- স্বামীর কোন সাজানো গল্প যা আপনি আগে শুনেছেন, এমন গল্প বলতে থাকলে মন দিয়ে শুনুন। কখনো মুখের উপর বলবেন না এটা মিথ্যা বা বানোয়াট, আপনি আগে বহুবার শুনেছেন। সবার সম্মুখে স্বামীর মুখ নিচু হয় এমন কথা বলতে নেই। স্বামী আপনার, তার সম্মান হানিতে আপনার সম্মান কখনো বৃদ্ধি পাওয়ার নয়। চূড়ান্ত পরিত্যাগের আগে স্বামীই আপনার সুখ, দুঃখের সাথী।
পুরুষ :- নতুন করে আকর্ষণীয় গল্প ছাড়ণ্ডন। স্ত্রীর মন বিষিয়ে তুললেও আপনার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ কমে। স্ত্রী সম্মুখে সাধারণের সাথে দুর্ব্যবহার করতে নেই। এতে স্ত্রী আপনাকে চূড়ান্ত ওজন করতে সক্ষম হন। স্ত্রীর কাছে সবসময় রহস্যপুরুষ হিসেবে আবির্ভূত হোন। মনের সব প্যাচ গোজ খোলাসা করবেন না। তুরুপের কার্ড সংরক্ষিত রাখুন।
মহিলা :- স্বামীর এমন দোষ আছে যা আপনিসহ কেউ পছন্দ করেন না। এটা নিয়ে কথা কাটাকাটি না করে ধীরে ধীরে কোন্ পদ্ধতিতে শুধরানো যায় একটা ছক তৈরি করে এগুতে থাকুন। একদিন দেখবেন আপনার হাতের পরশে স্বামী সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।
পুরুষ :- আপনি প্রকাশ না করলে আপনার দোষগুলো স্ত্রী টের পান। দোষগুলো ও আচরণে সংশোধনী আনয়ন আপনার কাজ।
মহিলা:- কখনো স্বামীর মুখের উপর ডিভোর্সের কথা উচ্চারণ করবেন না। চলে যাব, আত্মহত্যা করব এসব শব্দ দীর্ঘমেয়াদী আঘাত আনে। চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত ছাড়া এ শব্দগুলি সম্পূর্ণ অনৈতিক।
পুরুষ :- স্ত্রীকে কখনো ডিভোর্স, ত্যাগ করা, চলে যাওয়ার কথা বলবেন না। ত্যাগ করার জন্য আপনি বিয়ে করেন নাই। স্ত্রীর গায়ে হাত উঠানো মধ্যযুগীয় মানসিকতা ও অসভ্য আচরণ। সংসার দু’জনের। দু’জনই সংসারে সমান। স্ত্রীকে সম্মান করতে ব্যর্থ হলে সমাজে নিজের সম্মানই ক্ষুণ্ন হয়। মনে রাখবেন, সকল মহিলার কেমিস্ট্রি ও বায়োলজি এক ও অভিন্ন। অন্যের স্ত্রীর সাথে নিজের স্ত্রীকে তুলনা করবেন না। আপনারটাই সর্বশ্রেষ্ঠ
উপরের তথ্য গুলোর দায-দ্বায়িত্ব আমি বহন করবো না কারন তথ্য সংগ্রহ